বুধবার , ২৮ জুলাই ২০২১
সর্বশেষ সংবাদ

ঢাকা শহরের প্রায় ৪৫ শতাংশ মানুষ করোনা আক্রান্ত। ১৩ অক্টোবর ২০২০

পপুলেশন ডেস্ক: ঢাকা শহরের ৪৫ শতাংশ মানুষ করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত। আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআর’বি এর এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
গত ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এ সংখ্যা। এক মাস পরই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২১৮ জনে। সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় ১৮ এপ্রিল থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত অর্থাৎ আড়াই মাস ধরে রাজধানীর ১০ শতাংশ মানুষের ওপর জরিপ চালায় আইইডিসিআর এবং আইসিডিডিআর’বি।
সোমবার (১২ অক্টোবর), রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত ঢাকায় কোভিড-১৯ এর প্রার্দুভাব, বিস্তৃতি বিষয়ক এক সেমিনারে দেশে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি ও জিন রূপান্তর নিয়ে গবেষণার এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। যেখানে জানানো হয়, অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় দেখা গেছে রাজধানীর ৪৫ শতাংশ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। অর্থাৎ করোনায় আক্রান্ত রাজধানীর প্রায় অর্ধেক মানুষ। আক্রান্তদের ২৪ শতাংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি। ১৫ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে রয়েছেন ১৮ শতাংশ। এমন কি আইইডিসিআর এর সংবাদ সম্মেলনে প্রতিদিনই নারী পুরুষের আক্রান্তের হারে পার্থক্য দেখা গেলেও এই জরিপে দেখা গেছে সমানভাবে সংক্রমণের হার।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এছাড়াও এতে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. এ বি এম খুরশীদ, ইউএসএআইডি মিশনের পরিচালক ডেরিক এস ব্রাউন ও আইসিডিডিআরবি’র বাংলাদেশ নির্বাহী ড. তাহমিদ আহমেদ। সেমিনারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা করোনাভ সংক্রমণের প্রথম পর্যায়ের নানা তথ্য ও উপাত্ত তুলে ধরেন। এসময় তিনি বলেন, ‘করোনা পজেটিভদের মধ্যে ৮০ শতাংশই পাওয়া গেছে সিমটম ছাড়া। পুরুষ ও মহিলার মধ্যে খুব একটা পার্থক্য পাওয়া যায়নি আক্রান্তের দিক থেকে। ভ্যাকসিন পাওয়া সময় সাপেক্ষ বিষয়। এজন্য সকলের মাস্ক পরিধান করা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার বিকল্প নেই।’
সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভ্যাকসিন সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। যার ফলে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ ঠেকাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন তারা। জনগণের অংশ গ্রহণ জরুরি বলেও মনে করেন তারা। তবে আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুর হার কম কেন, এমন প্রশ্নের বৈজ্ঞানিক কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠান দুটি।
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর ও বেসরকারি আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ-আইসিডিডিআরবি যৌথভাবে এই গবেষণা করেছে। এই গবেষণায় আর্থিক সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দাতা সংস্থা ইউএসএ আইডি এবং বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন।

About admin

This is population NewsBD online newspaper.

Check Also

পরিবর্তন আসছে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায়। ১০ জুন ২০২১

বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে একাধিক ধাপে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এজন্য পর্যাপ্ত প্রশ্ন সেট প্রণয়ন করা হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Skip to toolbar