থাই ফয়েলস অ্যান্ড পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর এই গনপ্রস্তাব থেকে উত্থাপিত মূলধন, শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদনের লক্ষে ব্যবসায় সম্প্রসারন কার্যক্রমে ব্যবহৃত হবে। এসকল উৎপাদিত রাসায়নিক দ্রব্যাদি টেক্সটাইল, ঔষধ, তেল ও গ্যাস, অ্যালুমিনিয়াম, পাল্প ও পেপার,চামড়াশিল্প, ক্যাবল, এবংগৃহস্থালি ভোগ্যপণ্য সহ বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন উৎপাদন শিল্পে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,“পূর্ণাঙ্গ মার্চেন্ট ব্যাংক হিসেবে পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানিগুলোকে নিয়ে আসার জন্য জিডিসিএল এর নিরন্তর প্রচেষ্টা ছিল। তারই ধারাবাহিকতায়,আমরা এবার বুক বিল্ডিং পদ্ধতির অধীনে থাই ফয়েলস অ্যান্ড পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর আসন্ন আইপিওর একক ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ শুরু করছি,যা জিডিসিএল এর জন্য আরেকটি মাইলফলক হতে চলেছে।”

এ ব্যাপারে জনাব মোস্তফা কামাল জানান,“এইমুহুর্তে পূঁজিবাজারে পদচারণ করা আমাদের গ্রুপের জন্য বেশ সময়োপযোগী একটি সিদ্ধান্ত, যা আমাদের মূল ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সম্প্রসারনকে ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় মুলধন সংগ্রহ করতে সক্ষম করবে। গ্রীন ডেল্টা ক্যাপিটাল লিমিটেডের সাথে, আমাদের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করি যা পুঁজিবাজারের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব রাখবে।”

অনুষ্ঠানটিতে আল-মোস্তফা গ্রুপের পরিচালক প্যানেল থেকে জনাব মোঃ জাফর ইকবাল, জনাব মোঃ বাবু হোসেন এবং গ্রীন ডেল্টা ক্যাপিটালের চিফ অপারেটিং অফিসার মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন সহ জিডিসিএল এবং আল-মোস্তফা গ্রুপের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গ্রীন ডেল্টা ক্যাপিটাল লিমিটেড একটি পূর্ণাঙ্গ মার্চেন্ট ব্যাঙ্ক,যা গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এর ১০০% মালিকানাধীন সাবসিডিয়ারি। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে, জিডিসিএল বিভিন্ন সেক্টরের জন্য স্থানীয় এবং বিদেশী অর্থায়ন ব্যবস্থাপনার কাজ করছে যা ১,৫০০এরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে।